নির্বাচনী প্রচারণায় ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের যে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তারেক রহমান নির্ধারণ করেছিলেন, আজ তা বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি 'স্বর্ণচাঁপা' ফুলের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি তার দাপ্তরিক কার্যক্রমের ঐতিহাসিক সূচনা করলেন।
এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তার দৃঢ় সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ। কার্যালয়ের প্রথম দিনেই গাছ লাগিয়ে তিনি দেশবাসীকে বার্তা দিলেন যে, উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষা এখন থেকে একসাথেই হাতে হাত রেখে চলবে।
এটি কেবল একটি চারা রোপণ নয়, বরং আগামীর সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশের প্রতীক। তাঁর এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। নেটিজেনরা একে দেখছেন রাজনীতির সাথে প্রকৃতির সেতুবন্ধন হিসেবে।
২৫ কোটি গাছের এই মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে। তারেক রহমানের এই দূরদর্শী পদক্ষেপ দেশের প্রতিটি প্রান্তে বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করবে বলে পরিবেশবিদরা গভীরভাবে আশা প্রকাশ করছেন।
সবুজ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার এই মহৎ যাত্রায় শামিল হতে সাধারণ মানুষ আজ মুখিয়ে আছে। একটি 'স্বর্ণচাঁপা' থেকে শুরু হওয়া এই স্বপ্ন ২৫ কোটি প্রাণে ছড়িয়ে পড়ুক এটিই এখন সবার প্রত্যাশা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে।



