logo
ads
২৬ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাবি শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাবি শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা পুলিশ

16px

রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে নাট্যকর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর (২৬) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সকাল আটটায় বাড্ডা থানা-পুলিশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করে। বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে পুলিশ ও বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে

সচরাচর দরজা খোলা রেখে ঘুমানো মিমোর রুম আজান শেষে বন্ধ পাওয়ায় পরিবার দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। বাড্ডা থানা পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করেছে পুলিশ। আসাদুজ্জামান জানান, স্বজনরা ধাক্কাধাক্কি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভাঙেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। 

বাড্ডা জোনের এসি আসাদুজ্জামান জানান, রাতে মিমোর সঙ্গে সুদীপ চক্রবর্তীর ছয় মিনিট কথা হয়। পরে সুদীপ কল হিস্ট্রি মুছে ফেলেন। সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে। এর আগে নিহতের পরিবার বাড্ডা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করে। এদিকে মিমোর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন কাজী তামান্না হক। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে বলে জানানো হয়েছে।

তামান্না হক এক শোকবার্তায় মুনিরা মাহজাবিনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ঘটনায় স্তব্ধ। চিরকুটে সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী ও এক সহপাঠীর নাম থাকায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া’। তামান্না হক এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ বিচার প্রত্যাশা করছেন।

বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক জানান, চিরকুটে সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী ও সহপাঠী উম্মে হানির নাম পাওয়া গেছে। মিমোর আকস্মিক মৃত্যুতে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। জনপ্রিয় এ নাট্যকর্মীর মৃত্যুতে মহসিনা আক্তারসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। আজই বিস্তারিত ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরেছে বিভাগ। নির্দেশক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন মিমো। তার অকাল প্রয়াণ সবার মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

ads

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ

ads