logo
ads
১৫ মার্চ, ২০২৬

আমদানি সংকটে ভারতই ভরসা সরকারের

অনলাইন ডেস্ক

আমদানি সংকটে ভারতই ভরসা সরকারের

16px

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট ও দেশে অস্বাভাবিক চাহিদার মুখে জ্বালানি বিক্রিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল সরকার। তবে ঈদযাত্রা ও সেচ মৌসুমে ভোগান্তি এড়াতে তেলের ওপর থেকে সব ধরনের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে।

সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, আজ থেকে জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির বিষয়ে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা চালাচ্ছে।

সংকট এড়াতে সরকার জ্বালানি সরবরাহে কঠোর সীমা নির্ধারণ করলেও বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারিং চালক ও ফিলিং স্টেশন মালিকেরা। সরবরাহ কমানোর প্রতিবাদে খুলনা ও রাজশাহীতে ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ধাপে ধাপে তেলের বরাদ্দ বাড়ালেও অসন্তোষ কাটেনি।

চলতি মাসে ১৮টি জাহাজ আসার কথা থাকলেও বিপিসি মূলত ডিজেল সরবরাহ নিয়ে চিন্তিত। ইতোমধ্যে ৬টি জাহাজ পৌঁছেছে এবং আরও ৬টি আসার অপেক্ষায়। আমদানিনির্ভর অকটেন দ্রুত আনার চেষ্টা চলছে, তবে শতভাগ দেশীয় হওয়ায় পেট্রল নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

মার্চে ডিজেল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সংকটের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বিপিসি। তবে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত করলে বাজারে কৃত্রিম চাপের সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে সংকটের শঙ্কায় বিকল্প খুঁজছে সরকার। মে মাসে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে অতিরিক্ত তেল আমদানির পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সরাসরি ও উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ

ads